August 25, 2026, 1:39 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
ছয় মাসের অর্থনৈতিক পর্যালোচনা/বন্ধ হয়েছে ৯৫ কারখানা, কাজ হারিয়েছেন প্রায় ৬২ হাজার শ্রমিক সারের বরাদ্দ আছে, সংকট কোথায়? দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় সার বরাদ্দ দিয়েছে সরকার, কিন্তু কৃষকের হাতে যাচ্ছে না কুষ্টিয়ায় ফিরল দেবাশীষ ও স্ত্রী-সন্তানের নিথর দেহ, রাতেই স্ব স্ব ধর্মীয় রীতিতে শেষ বিদায় সরকারি বিজ্ঞাপনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ডিএফপির কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি রবীন্দ্র মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিবাদ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ বিয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বরের মৃত্যু সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব সরকারি কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশ

রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র/পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু, ডিসেম্বরেই জাতীয় গ্রিডে

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয়েছে। সব ঠিক থাকলে ডিসেম্বর থেকেই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ হতে পারে।
ন্যাশনাল লোড ডেসপাচের অনুমতিতে ২৫ নভেম্বর রাত ১২ টা এক মিনিট থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। ধাপে ধাপে ইউনিটটির লোড টেস্ট ৬৬০ মেগাওয়াটে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে।
বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিআইএফপিসিএল)উপ-মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম জানিয়েছেন এ তথ্য।
এটি সফল হলে প্রথম ইউনিট বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে। আর দ্বিতীয় ইউনিটের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে ২০২৩ সালের জুন মাসে।
জানা গেছে, এর আগে ১৫ আগস্ট প্রথম ইউনিটের পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হয়েছিল। তবে ২৪ অক্টোবর বিদ্যুৎ উৎপাদন ৪০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছালে ওই এলাকায় আঘাত হানে ঘূর্নিঝড় সিত্রাং। সে সময় ন্যাশনাল লোড ডেসপাচের নির্দেশে উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়।
বিদ্যুৎকেন্দ্র-সংশ্লিষ্টরা জানান, কয়েক ধাপে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জাতীয় কমিটি বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতার সনদ দেবে। সেই সনদ পেলেই বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। আগামী ডিসেম্বর মাস থেকেই জাতীয় গ্রিডে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের কথা প্রতিষ্ঠানটির। এছাড়াও বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের সার্বিক কাজের ৮০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে।
দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে মোংলা-খুলনা মহাসড়কের পাশে বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার সাপমারী-কাটাখালী ও কৈর্গদাশকাঠী এলাকায় কয়লাভিত্তিক রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই লক্ষ্যে ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়।
এরপর ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারী দুই দেশের রাষ্ট্রায়াত্ত্ব কোম্পানি বিপিডিবি ও এনপিপিসি যৌথ কোম্পানি গঠন করে। ২০১৩ সালের ১ আগস্ট বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র পায়। ইকুইটি বিনিয়োগ সমান ভাগে ধরে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য গঠন করা হয় বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড।
১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট উৎপাদন-ক্ষমতার দুটি ইউনিট সংবলিত বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণ প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০১৭ সালের ২৪ এপ্রিল। বর্তমানে এ প্রকল্পটি ভৌত কাজের অগ্রগতি হয়েছে প্রায় ৯০ শতাংশ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30 
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net